কাউয়াখোপ পরিষদের কিছু সদস্য এই চাউল কিনে দোকানে রেখে আমার বদনাম করছে- মোস্তাক চেয়ারম্যান

dailybarta71dailybarta71
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  02:10 PM, 03 July 2020

রামু প্রতিনিধিঃ

মহামারী করোনা ভাইরাস চলাকালিন সরকার প্রধান চাচ্ছেন দেশের জনগণ ঘরে থেকে সুরক্ষা থাকুক।। পরিবার সমাজ ও দেশকে এই মহামারী করোনা ভাইরাস থেকে রুখতে একমাত্র ঘরে থাকাকে নিরাপদ মনে করছে তারা। এজন সরকার জনগনের জন্য স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করনে বড় বাজেট ঘোষনা দিয়ে প্রতিটি ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছেন। সেই সাথে দেশের এনজিও আইএনজিও গুলো এগিয়ে এসেছে সাধারন জনগনের খাদ্য সহায়তায়।

কিন্তু সরেজমিনে দৃশ্যপট ভিন্ন দেখা যাচ্ছে বলে জানান কক্সবাজারের কিছু স্থানী সাধারণ জনগণ । তারা বলছেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ,মেম্বারগণ সঠিক তালিকা প্রণয়ন না করে তাদরে নিকট আআত্মীয় ও নিজ নামে ত্রান গুলো নিয়ে বাজারের বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করে দিচ্ছে। এত সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছেনা এমন কিছু অসৎ জনপ্রতিনিধির কারণে।

কক্সবজারের রাম উপজেলার কাউয়ারখোপ বাজার এর মোহাম্মদ হারুন সওদাগরের মুদির দোকান থেকে ত্রাণের চাউল ও এনজিও সংস্থা কর্তৃক দেওয়া বিস্কুট এর কার্টুন উদ্ধার করা হয়েছে। ৩জুলাই বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমা অভিযান চালিয়ে ১৭বস্তা চাউল ও ৭ কার্টুন বিস্কুট উদ্ধার করেন। এসময় রামু থানা পুলিশ অফিসার গনেশ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া চাউল ও বিস্কুট রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হেফাজতে রয়েছে। এই ঘটনায় এলাকার জন সাধারণের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এতে সাধারণ অসহায় মানুষ ত্রান পাচ্ছেনা ফলে তারা বাধ্য হয়ে এই করোনা কালিন সময়েও বাইরে আসছে কাজের সন্ধানে।

কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদের সাথে সকালে কথা হলে তিনি জানান, গত ২জুলাই আমার ইউনিয়নের অসহায় গরীবদের জন্য ডাব্লিউএফপির সহায়তায় ত্রান বিতরণ করি।যাদের কার্ড় ছিলো তাদের ত্রান দেওয়া হয়েছে।আমি নিজে ১৮টন চাউল বিতরণ করেছি। এবং পরিষদ থেকে যতটুকু সাহায্য তাদের দরকার আমি তা সাধ্যমত চেষ্টা করি।

পরিষদেও ৮নং ওয়ার্ড় সদস্য হাবিবুল্লাহ কিছুদিন আগে তার বারা মৃত্যুবরণ করেছে বলে সনদ নিয়ে সরকারী জায়গা বন্দোবস্তির জন্য আবেদন করলে আমি তা ভুয়া জানতে পেরে তা হতে দেই নাই তারপর থেকে সে আমাকে সমাজে হেয় করার জন্য কিছু চাউল হাবিবুল্লাহ কিনে দোকানে রেখে আমার নামে বদনাম করতে চায়। আমি অনুরোধ করবো এতে বিভ্রান্ত না হতে। কারণ আমাকে ফাঁসানোর জন্য এইসব করা হয়েছে। আমি নিজের অর্থায়নে যেখানে ১৮টন চাউল বিতরণ করেছি সেখানেিএই সামান্য চাউল ওবিস্কিট দিয়ে আমাকে সমাজে হেয় করার পায়তারা করছে।

রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা জানান, গতকাল রাতে অভিযানে কাউয়ারখোপ বাজারের একটি দোকান থেকে ডাব্লিউএফপির গরীব অসহায়দের জন্য আসার ১৭ বস্তা চাউল ও ৭ কার্টুন বিস্কিট উদ্বার করা হয়। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে গত ২জুলাই কাউয়ারখোপ ইউনিয়নে অসহায় কিছু পরিবারকে প্রতি পরিবারে ২বস্তা চাউল ও ১ কার্টুন বিস্কিট দেওয়া হয় সেটি তারা বিক্রি করে দিয়েছে কিন্ বা পরিষদেও কেউ আত্মসাৎ করে বিক্রি করেছে তদন্ত করে দেখা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :