গুরুদাসপুরে অফিস কক্ষেই চলছে পাঠদান

dailybarta71dailybarta71
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  10:40 AM, 30 November 2019

জালাল উদ্দিন গুরুদাসপুর (নাটোর)
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর ইউনিয়নের কালাকন্দর গ্রাম। বেশির ভাগ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে কৃষি কাজ করে। কৃষকের সন্তানদের একমাত্র লেখাপড়ার জায়গা কালাকান্দর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রাথমিক শেষ করে মাধ্যমিক পড়তে যেতে হয় ইউনিয়ন অথবা পৌর সদরের কোন বিদ্যালয়ে। এই বিদ্যালয়ে রয়েছে শতভাগ পাশ। রয়েছে জেলা-উপজেলা থেকে পাওয়া বিভিন্ন পুরষ্কার। তবে ভোগান্তির শেষ নেই। মাত্র দুইটি শ্রেণীকক্ষ বিশিষ্ট টিনশেডের একটি ঘরেই পাঠদান করাতে হয় শিক্ষার্থীদের। শ্রেণী কক্ষের মধ্যেই রয়েছে আবার অফিস কক্ষ। মাত্র দুই রুমেই চলে অফিসের কাজ ও শিক্ষার্থীদের পাঠদান। পর্যাপ্ত জায়গা না থাকার কারনে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে চলে গেছে।বিদ্যালয়টি স্থাপিত ১৯৯৪ সালে। শুরুতে কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে পাঠদান ও ২০১১ সালে এসে রেজিস্টার প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২০১২ সালে এসে জাতীয় করন হয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়মনীতি অনুসরন করেই চলছে পাঠদান। বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ৭৪ জন। শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছে ৫ জন। জায়গা না থাকার কারনে এত অল্প শিক্ষার্থী নিয়েও দুই শিফটে পাঠদান করাতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ের এমন দুর্ভোগ দেখে স্থানীয় সাংসদ আব্দুল কুদ্দুস চলতি বছরে চারতলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন। অথচ টেন্ডার জটিলতায় এখনও কাজ শুরু হয়নি বিদ্যালয়টির নতুন ভবনের। বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের কাজ শুরু না হওয়ায় দূর্ভোগে রয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ না থাকায় দুর্ভোগে রয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। চারতলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হলেও টেন্ডার জটিলতায় এখনও কাজ শুরু হয়নি। তবে নতুন ভবনের কাজ শেষ হলে এই সমস্যা আর থাকবে না।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি খুবজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল ইসলাম দোলন জানান, নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হয়েগেছে। আশা করি অল্পদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হবে।

স্থানীয় সাংসদ আব্দুল কুদ্দুস বলেন, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ দেখে চারতলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। অল্পদিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় কোন কাজ অসমাপ্ত থাকবে না।

আপনার মতামত লিখুন :