ঘুষের টাকার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্রকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ

dailybarta71dailybarta71
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  02:28 PM, 30 July 2020

চকরিয়া প্রতিনিধিঃ

চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নে ঘুষের ১লক্ষ টাকা না পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র নাজেম উদ্দিন ধানক্ষেতে একা পেয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া যায়।
গত ২৫ জুলাই রিংভং ছগিরশাহ কাটা পুরানঘোনা নামক ধানি জমিতে এঘটনা ঘটেছে।
জনা যায়,অভিযোগকারী নাজেম উদ্দিন ডুলাহাজারা ইউপির ১নং ওয়ার্ডের রিংভং ছগিরশাহ কাটা মাঝের পাহাড় গ্রামের আহমদ কবিরের পুত্র।তিনি জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের অনার্স ফাইনাল বর্ষের ছাত্র।
অভিযোকারী নাজেম উদ্দিন জানান,করোনা সংক্রমণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা আমি বাড়ী চলে আসি।এমতাবস্হায় চলিত বর্ষার মৌসুমে আমার পিতার ভিলেজারী সূত্রে ভোগদখলীয় ধানি জমিতে ধান রোপনে লোকজনকে সহযোগিতা করতে যায় গত ২৫জুলাই।হঠাৎ একই ওয়ার্ডের রিংভং হাসিনা পাড়া গ্রামের মৃত কামাল হোসেনের পুত্র আব্দুর রহিম(৩৫)নামক লোকটি গিয়ে আমার কাছ থেকে ১লক্ষ টাকা দাবী করে।এতে আমি কিসের টাকা জিজ্ঞাসা করলে,তার হাতে থাকা শক্ত কাঠ নিয়ে আমাকে মাথার উপর দিয়ে জীবন শেষ করা লক্ষে স্বজোরে ভারী মারলে,তখন আমি কাট দিয়ে প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পাহাড়ে উঠে শাহাব উদ্দিনের বাড়ীতে ঢুকে পড়ি।সেও দৌড়ে এসে এই বাড়ীতে ঢুকে আমাকে মারার চেষ্টা করে।তখন বাড়ীতে থাকা তার স্ত্রী ফাতেমা ও প্রতিবেশী মোঃআলীরা জোর গলায় প্রতিবাদ করলে সে তাদেরকেও মন্দ গালিগালাজ করে চলে যাওয়া প্রাণে বেচেঁ যায়।এছাড়া আমাকে হত্যার উদ্দেশ্য দৌড়ানো দৃশ্য ঐ এলাকার আরো অনেকে দেখেছেন।
এবিষয়ে নাজেম উদ্দিন অসুস্হ পিতা আহমদ কবির জানান,রেলওয়ে সড়কে আমার বসতরত ঘরবাড়ী পড়ায়,রেলওয়ে কর্তৃক দেওয়া অধিক গ্রহণ ১৩লক্ষ টাকা নিয়ে দিবে আমার সাথে ঘুষের নামে ৪লক্ষ টাকার মৌখিক চুক্তি হয় আব্দুর রহিম সাথে।তখন আমার ক্যাশ টাকা না থাকায়,চকরিয়ার মৌলভী কোমের শাহজান,এরফান ও রিদওয়ান নামক তিন ব্যবসায়ী থেকে লাখে ৫ হাজার টাকা দিব চুক্তি টাকা নেওয়ার কথা বলি।পরে আমি সহ অভিযুক্ত আব্দুর রহিম ওখানে যায়।তখন শাহজান ক্যাশ তিন লক্ষ টাকা তার হাতে বুঝিয়ে দেয়।এসময় তাদের সামনে আব্দুর রহিম বলেছিল, এক সপ্তাহের মধ্যে অধিক গ্রহণের ১৩/১২লক্ষ টাকা এনে দিলে,চুক্তিতে থাকা বাকী ১লক্ষ টাকা দিতে হবে।এখন এক সপ্তাহের পরিবর্তে ৪মাস পরে আমি অধিক গ্রহণের ৯লক্ষ পায়।বাকী টাকা না পাওয়াই তাকে আর কোন টাকা দেইনি।তাই আব্দুর রহিম চাঁদার ১লক্ষ টাকা না পেয়ে জমি থেকে আমার লোকজন তুলে দিয়ে জমি দখল নিতে যায়।এসময় আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ছাত্রকে একা পেয়ে তাকে প্রাণে শেষ করে দেওয়ার লক্ষে মারধরের চেষ্টা করলে আমার পুত্র নাজেম দৌড়িয়ে পাশ্ববর্তী শাহাব উদ্দিনের বাড়ীতে ঢুকে প্রাণ বাঁচায়।
নাজেমকে আশ্রয়দাতা শাহাব উদ্দিনের স্ত্রী ফাতেমা বলেন,নাজেম হঠাৎ দৌড়ে আমার বাড়ীতে ঢুকে পড়লে,সাথে-সাথে আব্দুর রহিম নামক লোকটি ঢুকে পড়ে।ঢুকে নাজেমকে জবাই করে দিবে বলে চিল্লাচিল্লি করছে।এসময় আমি বাধাঁ দেই।তখন আমাকে মন্দা ব্যবহারের গালিগালাজ ধাক্কা-ধাক্কি করে।এভাবে কিছুক্ষন পরে আব্দুর রহিম চলে যায়।
৩লক্ষ টাকার দেওয়ার বিষয়ে শাহজান বলেন,আহমদ কবিরের কথায় লাখে ৫হাজার টাকা লাভ নিব চুক্তিতে আব্দুর রহিম নামক এক ব্যক্তিকে ক্যাশ ৩লক্ষ টাকা আমরা ৩ব্যবসায়ী মিলে দিয়েছি।ঐসময় আব্দুর রহিম বলেন,এক সপ্তাহের মধ্যে আমি ১৩/১২লক্ষ অধিক গ্রহণের টাকা আদায় করে দিব।তখন চুক্তি মোতাবেক আমাকে আরো ১লক্ষ দিতে হবে বলে সে উল্টো আমাদেরকে সাক্ষি বানিয়ে গেছে।এখন ৪মাস পরে ৯লক্ষ টাকা উত্তোলন করে দিল।কিভাবে তাকে আর টাকা দিতে আহমদ কবিরকে বলবো বলে জানান।
এবিষয়ে আব্দুর রহিমকে ২বার ফোন করলে তার ফোন ইনগেজ পাওয়াই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন :