মোংলা বন্দর ধ্বংসের দাড়প্রান্তে নিয়ে গিয়েছিলো ৪ দলীয় জোট- মেয়র খালেক

Dailybarta71Dailybarta71
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  06:25 PM, 01 December 2019

মোঃ মারুফ বাবু, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ     
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বিএনপির শাসন  আমলে মোংলা বন্দরে কোন কাজ হয়নি, বন্দরকে ধ্বংস করার জন্য সব পরিকল্পনা করেছিল তারা। চাঁদাবজির ভয়ে কোন ব্যবসায়ী আসতো না এই বন্দরে, কোন শিল্প কারখানাও হয়নি তখন। শুধু ঘাসবন ছিল এই এলাকা। বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতাকালীন নাব্য সংকটে এই বন্দরে কোনদিন ড্রেজিংও হয়নি, ফলে জাহাজ আসতো না বন্দরে এবং এই বন্দরের প্রতি কোন খেয়াল ছিলনা তাদের। তাদের শিমাহীন দুর্নীতির কারণে বন্দর পরিনতো হয়ে ছিলো মৃত্যু বন্দরে।
রবিবার (১ ডিসেম্বর) মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৬৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র খালেক  এসব কথা বলেন । কেসিসি মেয়র খালেক আরও বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে এই বন্দরকে নতুনভাবে প্রাণ দিয়েছে। ব্যপক উন্নয়ন হয়েছে, আর্ন্তজাতিকভাবে এই বন্দর এখন সাফল্য পেয়েছে। এর অবদান শুধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলেও বক্তৃতায় উল্লেখ করেন তিনি। এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বর্নঢ্য র‌্যালী করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। পরে বন্দর  ব্যবহারকারীদের উৎসাহ দিতে বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ‘সর্বচ্চ পণ্য হ্যান্ডিংয়ে’র জন্য মেসার্স এ হক চৌধুরী এন্ড সন্স কোম্পানির মালিক মোঃ ওহিদুর রহমান কে সন্মানানা স্মারক প্রদান করেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপ মন্ত্রী ও স্থানীয় সাংসদ বেগম হাবিবুন নাহার। এছাড়া আমদানি-রপ্তানীতে বিশেষ অবদানের জন্যও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সন্মানান স্মারক প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মোজাম্মেল হক, খুলনা রেঞ্জের ডি আই জি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশিদ, পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়, মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাহাত মান্নান ও মোংলা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন, যুবলীগের সভাপতি ইস্রাফিল হোসেন হাওলাদার আরও উপস্থিত ছিলেন মোংলা থানা সেচ্ছাসেবকলীগ এর সভাপতি ইমরান হোসেন আরও উপস্থিত ছিলেন মোংলা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সজীব খান সহ বন্দরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিভিন্ন রাজনিতি নেতাকর্মী সহ আমন্ত্রীত অতিথি’রা।  পরে সন্ধা ৬ টায় শুরু হয় বন্দরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশ বরেণ্যে সংঙ্গীত শিল্পি দের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আপনার মতামত লিখুন :