রাজনীতির হাটে আমরা সবাই চাটুকার

dailybarta71dailybarta71
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  10:37 PM, 21 June 2020

তৈমূর আলম খন্দকার, ২১ জুন ২০২০

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম পাপুল মানবপাচার ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতার হবার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। ওই এমপি সরকারের পার্লামেন্টের সদস্য না হয়ে, বিরোধী ঘরানার কেউ হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনুরূপ কথা বলতেন কিনা সন্দেহ। কারণ অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসসহ অনেক মন্ত্রীকে এ ধরনের ঘটনায় বলতে শুনেছি, পাচার হওয়া অর্থ ও অভিযুক্তকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখামুখি করা হবে। সঙ্গত কারণেই এমপি পাপুলের ক্ষেত্রে সরকারের অনুরূপ দৃষ্টিভঙ্গি আশা করা যায় না। কারণ একদিকে ব্যাংক লুটের কাহিনী, অন্যদিকে হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে রাস্তায়ই মৃত্যুর সংবাদের মধ্য দিয়ে দেশবাসীর দিন কাটছে। ফলে এ নিয়ে আমি কথা না বাড়িয়ে অর্থ ও মানবপাচারে অভিযুক্ত পাপুলের বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কথা বলতে চাই। কারণ পাপুল নিজে একজন চালাক, ধূর্ত বা বুদ্ধিমান যা-ই বলি না কেন, সে বাংলাদেশের রাজনীতি, রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক নেতা, কথিত গণতন্ত্র ও কথিত নির্বাচন চিনতে ভুল করেনি। সে বুঝতে পেরেছে, এ দেশে টাকা হলে রাজনীতি, দল, নেতা, গণতন্ত্র ও নির্বাচন কেনা যায়। টাকা হলে এক শ্রেণীর জনগণও খুশী যারা টাউট হিসেবে পরিচিত হলেও স্থানীয়ভাবে রাজনীতিকে তারাই নিয়ন্ত্রণ করে। সে সুবাদে একদিনের জন্যও রাজনীতি না করে পাপুল নিজের ও স্ত্রী সেলিনা ইসলামের নামে পার্লামেন্টের দু’টি আসন কিনে নিয়েছেন। এটা তার ব্যয় বা অপচয় নয়, এটা তার বিনিয়োগ। জমি কেনা, বাড়ি বানানো, মিল ফ্যাক্টরি, বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ক্রয় যেমন বিনিয়োগের ক্ষেত্র, বাংলাদেশে ‘রাজনীতিও’ এখন বিনিয়োগের একটি ক্ষেত্র মাত্র। বাংলাদেশের রাজনীতি এখন টাকায় চলে বৈধ-অবৈধের ধার ধারে না। নীতিকথা যেটুকু আছে তা শুধু স্টেজ ফিটিং মাত্র।

ফাতেমা জিন্নাহ বনাম আইয়ুব খান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বিডি মেম্বারদের ভোটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। একটি গরু তখনকার এক বিডি মেম্বারকে গুঁতো দেয়ায় পত্রিকায় শিরোনাম হয়েছিল, ‘চিনিল কেমনে?’ সংসদ সদস্য পাপুলের মানবপাচার নিয়ে আমার কোনো আলোচনা নেই, আমি জানতে চাই পাপুল বাংলাদেশের ‘রাজনীতি’ যে ক্রয়-বিক্রয়ের পণ্যে পরিণত হয়েছে তা এত সহজে বুঝলো কিভাবে? তবে পাপুল রাজনীতির এ বেচা-কেনার হাটে শুধু একজন ক্রেতা নয়, বরং একজন সফল পাইকার। কারণ সে নিজ ও স্ত্রীর নামে দু’টি এমপি পদ কিনতে সক্ষম হয়েছে। এ পাইকারদের পক্ষে কথা বলার জন্য এ দেশে চাটুকারের কোনো অভাব নেই। বাজেট এলেই কালো টাকা সাদা করার প্রশ্নে অনেক কথাবার্তা, বাগবিতণ্ডা হয়। প্রশ্ন হলো- কালো টাকা সাদা করে কারা? তারা কি খেটেখাওয়া সাধারণ মানুষ বা মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান? কালো টাকা সাদা হবে কি হবে না যারা সিদ্ধান্ত নেয়, তারাই তো কালো টাকার মালিক। সংসদে এখন কয়জন রাজনীতিবিদ রয়েছেন, যাদের সমাজের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্দোলন সংগ্রামের ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে? এখন রাজনীতি, নেতা, দল, নির্বাচন, গণতন্ত্র সবকিছুই পকেটস্থ করার একমাত্র উপাদান ‘টাকা’, তা বৈধ, কি অবৈধ তার খোঁজ এখন জনগণও আর নিতে চায় না। এটাই আমাদের দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের সব চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার চরম দুর্দশার কথা মানুষ জানত না যদি না করোনার আবির্ভাব হতো। রোগীরা কেন এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে দৌড়াতে দৌড়াতে মৃত্যুবরণ করে সে বিষয়েও হাইকোর্ট মন্তব্য করেছেন। কেন মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে চলে যায়, এ কথা আমি নিজেও অনেকবার চিন্তা করেছি। বাংলাদেশের সরকারি ডাক্তাররা সুবিধামতো পোস্টিং পাওয়ার জন্য, বিশেষ করে রাজধানীতে থাকার জন্য সবাই দলবাজি করে, যখন যে দল ক্ষমতায় তখন তাদের পাল্লাই বেশি ভারী থাকে এবং সে কারণেই এ দেশে শুধু ভিভিআইপিদের চিকিৎসা হয়, অন্য কারো কথা শোনার ফুরসত সরকারি ডাক্তারদের নই। রোগীর কথা শোনার আগেই প্রেসক্রিপশন লিখে ফেলে। ডাক্তারদের তাড়াহুড়ো দেখলে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ঝুপড়ি হোটেলে খাওয়ার অবস্থা মনে পড়ে যায়। উল্লিখিত ঝুপড়ি হোটেলগুলোতে তাজা মাছ পাওয়া যায়। আপনি খেতে বসলে বলবে, গাড়ি ছেড়ে দিচ্ছে, তখন আপনি বাধ্য হয়েই আপনার নির্দিষ্ট গাড়ি ধরার জন্য বিল পরিশোধ করে দৌড় দিয়ে গাড়ি ধরবেন। কিন্তু খাওয়ার বাসনা-অতৃপ্তি রয়েই গেল। বাংলাদেশে রোগীদের কথা ধৈর্যসহকারে শোনার কোনো মানসিকতা সরকারি ডাক্তারদের নেই। তবে ক্ষেত্রবিশেষে থাকতেও পারে, সেটা ভিন্ন কারণে। ভুক্তভোগী জনগণ সেটা জানে।

করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা হয়তো একদিন আবিষ্কার হবে, কিন্তু রাজনৈতিক বৈষম্য, ধর্মীয় বৈষম্য ও বর্ণ-বৈষম্যের প্রতিষেধক কোনো দিনই আবিষ্কার হবে না। মানবতা প্রতিষ্ঠার জন্য যত এনার্জি খরচ বা গলাবাজি হচ্ছে, এর চেয়ে অধিক পরিমাণ ব্যয় হচ্ছে মানবতা ধ্বংসে। গত ২৫ মে আমেরিকার মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর মিনিয়াপোলিসে পুলিশ কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডকে প্রায় নয় মিনিট ধরে হাঁটুচাপা দিয়ে হত্যা করে। এর প্রতিবাদে লাখো জনতা প্রতিদিন কারফিউ উপেক্ষা করে বিক্ষোভ করেছে। এ বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ গোটা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়েছে। উচিত ছিল গোটা বিশ্বে এ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়া। নির্যাতনকারী সে শেতাঙ্গ ডেরেক চাত্তভিনকে বিচারের সম্মুখীন করা হয়েছে, এখন জামিনে মুক্ত আছে।

অথচ আমাদের দেশে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এত প্রকট যে, যে পুলিশ রাজনৈতিক নেতাদের পেটায় তারই প্রমোশন হয়, পোস্টিং হয় লোভনীয় জায়গায়। প্রয়াত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আ: মতিন চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, জয়নাল আবেদীন ফারুক কেউই পুলিশি নাজেহাল থেকে বাদ যাননি। ২৩ জুন ২০১৮ নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালত প্রাঙ্গণ থেকে একটি রাজনৈতিক মামলায় আমাকে পুলিশ গ্রেফতার করলে আইনজীবী জনতা ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ফতুল্লøা থানায় তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন আমার গলায় চাপ দিলে আমার জিহ্বা বের হয়ে যায়, আমি আইনজীবী জনতাকে বলি, মৃত্যুর চেয়ে আমার গ্রেফতার হওয়া ভালো, আমি পুলিশের গাড়িতে উঠে যাই। এর দুদিন পরই ওসি কামাল উদ্দিনের প্রমোশন হয়। বাংলাদেশের পুলিশ অনেক রাজনীতিককে আমার মতোই বেদম মারধর করেছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পেলে বেশি পিটিয়েছে। কিন্তু কোনো সরকার রাজনীতিকদের ওপরে পুলিশি নির্যাতনের কোনো বিচার করেনি, হায়রে স্বাধীনতা, হায়রে গণতন্ত্র, হায়রে বাংলাদেশের হতভাগ্য রাজনীতিক, যারা রাজপথে স্লোগানে স্লোগানে অভ্যস্ত, রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে জনগণের পাশে থাকে, অথচ অর্থের প্রভাবে ডিম পাড়ে হাসে খায় বাগডাসে। অর্থের কাছে রাজনীতি বিক্রি হওয়ার জন্য রাজপথের রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা কম দায়ী নন। কারণ তারা টাকার বাণিজ্যিক ধোপে যখন টিকতে পারে না তখন প্রতিবাদে না থেকে মাথা বিক্রি করে দেন। ফলে পরিস্থিতি মোকাবেলায় মাঠের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের একটি ঐকমত্য দরকার, সেটা যে দলেরই হোক না কেন?

জনগণের লাভের গুড় এখন পিঁপড়ায় খায়। পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পেশ করা হলো। বিশিষ্টদের মতে, এ প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন জনগণের ওপর অর্পিত ট্যাক্স-নির্ভর। ট্যাক্স সম্পর্কে তুলসি গ্যাবর্ড বলেছেন, দঞধীধঃরড়হ রং ঃযবভঃ যিবহ ঃযব ঃধীবং ধৎব ঁংবফ ভড়ৎ ঃযরহমং ঃযধঃ ফড় হড়ঃ ংবৎাব ড়ঁৎ রহঃবৎবংঃ. অর্থাৎ তুলসি গ্যাবর্ডের মতে, ট্যাক্স হলো এক প্রকার চুরি যদি তা জনগণের কল্যাণে ব্যয় না হয়। ইনকাম ট্যাক্স অফিসের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীই দিনে অফিসের পরে রাতে আলাদা চেম্বার খুলে ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিস করে। প্রকৃত ইনকাম ট্যাক্সের চেয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেশি টাকা ঘুষ দিতে হয় বলে জনগণ ট্যাক্স অফিসের ভয়ে থাকে, ভয়ে ভয়ে অতিরিক্ত ঘুষ তাদের চোরা চেম্বারে গিয়ে দিয়ে আসতে হয়। অন্য দিকে সরকারি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই সরকারি অর্থ চুরি, অপচয় ও লোপাট করছে। (সূত্র : জাতীয় পত্রিকা) করোনাকালেও হাসপাতালগুলোর সরকারি ওষুধ পর্যন্ত দলীয় নেতারা চুরি করছে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের এক সিনিয়র নার্স ও দলীয় নেতা, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের এক ফার্মাসিস্ট ও স্টোর ইনচার্জ সরকারি ওষুধ চুরির দায়ে গ্রেফতার হয়েছে। নেতা হলে সরকারি ভাণ্ডার চুরি বা আত্মসাৎ করতে অনেক সুবিধা। তাই চোর-ডাকাতদের আকর্ষণ সরকারি দল, অন্য দিকে চোর বাটপাড় যা-ই হোক না কেন সরকারের আকর্ষণ জিন্দাবাদ পাওয়া, কিন্তু দম বের হয়ে যায় নিরীহ জনগণের। সরকারি হাসপাতালের ওষুধ চোরদের সম্পর্কে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা: আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেছেন, ‘একজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতা এসে তদবির করতে থাকে।’ (সূত্র : জাতীয় পত্রিকা, ১১ জুন ২০২০)। চুরি বা আত্মসাৎ করতে হলে সরকারি দলের অন্তর্ভুক্ত হওয়াটাই চোর-বাটপাড় ও সন্ত্রাসীদের জন্য নিরাপদ। ক্ষমতা খাটিয়ে সরকারি চুরি আগেও ছিল, তবে এখন চলছে পুকুরচুরির স্থলে সাগর ও মহাসাগর চুরি। কারণ এ দেশের আইন দু’ভাগে প্রয়োগ হয়, সরকারি দলের জন্য একরকম, অন্যদের জন্য ভিন্নতর। দৃশত মনে হয়, সরকারি লোকেরা ব্লু ব্লাড, বাকিরা সব ‘দাস’ বা প্রজা। প্রস্তাবিত বাজেটে তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা কর আদায়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

যা বিগত বছরের কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য হয়েছে ৯.৮১ শতাংশের বেশি। জনগণ কর দেবে অথচ হাসপাতালে ভর্তির অভাবে গাড়িতেই মানুষ মারা যাবে, সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকেরা যেখানে যা পাবে তা খেয়ে ফেলার কারণেই জনগণ রাষ্ট্রীয় সেবা থেকে বঞ্চিত। করের (ট্যাক্স) বিপরীতে মানুষকে সেবা দেয়া হোক, ক্ষুধার্ত সরকারি পিঁপড়াদের (চোর) পেট ও জিহ্বা সেলাই করে দেয়া হোক, রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের ফুটানির খাতে অপচয় বন্ধ করা হোক, অহেতুক প্রশিক্ষণের নামে বিদেশী সফর বাতিল করা হোক। অন্য দিকে ইনকাম ট্যাক্স অফিসে দুর্র্নীতিমুক্ত বা ইনকাম ট্যাক্স কর্মচারীদের অফিস বহির্ভূত চোরা চেম্বার বন্ধ করা যাবে না, তবে ট্যাক্স দেয়ার পদ্ধতি সহজ করে দিলে জনগণ ইনকাম ট্যাক্স দিতে উৎসাহবোধ করবে। ইনকাম ট্যাক্স অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সম্পদের হিসাব নেয়া হোক। অন্য সরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঘুষ নেয়, আর ইনকাম ট্যাক্স অফিসে ঘুষ স্বেচ্ছায় দিয়ে আসতে হয় এবং ট্যাক্স অফিসের জন্মলগ্ন থেকে এটাই রেওয়াজ। দেশের ৯১ শতাংশ সম্পদ একটি শ্রেণীর হাতে বন্দী হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়, জনগণকে কর দিতে উৎসাহিত করতে হলে কর দেয়ার পদ্ধতি সহজ করে দিলে এবং ইনকাম ট্যাক্স অফিসের অহেতুক হয়রানি বন্ধ করতে পারলে জনগণ উৎসাহবোধ করবে। ফলে জনগণের ওপরে করের বোঝা না চাপিয়ে জনগণ যাতে কর (ট্যাক্স) দিতে উৎসাহিত হয় এবং ট্যাক্সের বিপরীতে জনগণ যাতে কাক্সিক্ষত সেবা পায় সে ধরনের পদক্ষেপ সরকারকে গ্রহণ করতে হবে।

লেখক : রাজনীতিক, কলামিস্ট ও আইনজীবী
E-mail: taimuralamkhandaker@gmail.com

 

আপনার মতামত লিখুন :