Main Menu

রাজনীতি ক্রিকেট খেলার মতো ক্রিজে থাকলে রান আসবেই – তামিম

 মনসুর মহসিন ডেইলি বার্তা৭১ 

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ  কক্সবাজার জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ হোসাইন তানিমের টাইম লাইন থেকে নেওয়া। বর্তমান সময়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সম্পর্কে মনেরভাব প্রকাশ করেছেন এভাবে –

 “মনের কথা যা সারাদেশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও অনেক ইউনিট প্রধানদের সাথে মিলে যেতে পারে-

ইচ্ছে ছিলো কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হয়ে সংগঠনকে গতিশীল করতে প্রতিটি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও থানা কমিটি গুলোতে নিজে গিয়ে সম্মেলন করবো কিন্তু একার পক্ষে তো সম্ভব নয়।

আমার আগ্রহ অন্য কারো ব্যস্ততা, এটি নিয়ে তো আর পথচলা সম্ভব নয়।

আমি দায়িত্ব গ্রহনের পরপরই মাতামুহুরি সাংগঠনিক থানা ছাত্রলীগের সম্মেলন করেছি সফলতার সাথে।

বর্তমান সময়ে সময়ের প্রয়োজনে সংগঠনকে গতিশীল করতে কোন ইউনিটকে সম্মেলন করতে বললে তারা মনে করে আমরা তাদের সব চেয়ে বেশি ক্ষতি চাইছি।যেন আমরা তাদের চিরশত্রু।অার সেই কারনে কেন্দ্রে গিয়ে অনেকে অাবার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও সুযোগ সন্ধানী কারো কাছে গিয়ে মিথ্যা অজুহাত দিয়ে নানান বাহানা আমাদের বিরুদ্ধে নানান সমালোচনা / আলোচনা করে। যা খুব লজ্জাজনক।
অনেকে কেন্দ্রে বসে জেলার রাজনীতিকে নোংরা করতে চাই, চাই অনৈতিক সুযোগ সুবিধা নিয়ে মিথ্যা ব্লেইম দিতে।হয়ে যায় ওল্টো জেলা কমিঠি মেয়াদোত্তীর্ণ অবৈধ কমিঠি,জামাত বিএনপি, অকেজো এনতেন নানান কথাবার্তা।

আমার জেলায়, উপজেলায়, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে কে কি হয়?  কে কি রকম?  ভাল?  না খারাপ?  রাজপথে সক্রিয় না নিস্ক্রিয় আমি জানবো না অন্য কেউ জানবে?

কোন নেতা চাই না তার সৃষ্টি কোন কর্মীকে অবমূল্যায়ন করতে। সবাই দিন শেষে চাই নেতা হতে আর নেতারাও চায় ভাল কর্মী নিরাপদ কর্মীকে মূল্যায়ন করতে।মনে রাখতে হবে এই সংগঠনে সবাই একসাথে নেতা হওয়ার সুযোগ নেই।পর্যায়ক্রমে আসতে হয় নেতৃত্বে।

ভাবতে অবাক লাগে মজার বিষয় হলো আমরা যাদের সংগঠনের নেতা বানায় তারাও এক সময় হিসেবে একটু গড়মিল হলে নানান মুখী ষড়যন্ত্রে করতে ব্যস্ত হয়ে যায়।কিছু অসাধু লোক অাছে রাজনীতিতে যারা পদ দিলে ভাল না দিলে খারাপ।
তারা কখন স্বার্থের কারনে ভাই ডাকে কখন মা বাপ ধরে গালি গালাজ করে বুঝা বড় মুশকিল।

ক্ষমতা এতোটা খারাপ জিনিস।যখন ১/১১ আর যখন বিরোধী দলে অামরা তখন রাজপথে কোন বিনিময় ছাড়া খেয়ে না খেয়ে পুলিশের মার খেয়েছি জেলে গিয়েছি অনেকটা সময়।তখন রাজপথ খুব সাদামাটা ছিল অাজকের মতো পদ রাজপথ এতোটা স্বার্থপর ছিলো না,ছিলো না কর্মী বৃন্দ। আর আজ দল ক্ষমতায় এসেছে ০৮ থেকে ঠিক এর পর থেকে যারা রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছে তাদের ত্যাগ বর্তমান সময়ে খুব বেশি।তাদের কিছু বলা যায় না কারন তাদের ত্যাগ বেশি।বললে তারা চোখ রাঙিয়ে চাই,বললে ওরা মিনিটে মিনিটে অামাদের পদ হারানোর ভয় দেখায়……

হাসি পায় তাদের এই সমস্ত মানসিক কর্মকান্ড দেখে।অামি বা আমরা পদ নিয়ে কখনো আত্মকেন্দ্রিক বা ক্ষমতার অহংকার,  স্বজনপ্রীতির রাজনীতি করিনি। কারণ -পদ-পদবি ছাড়া রাজনীতি করেছি দীর্ঘ সময়। পদ থাকলে যেমম, না থাকলেও তেমন ভাবে চলাফেরা করেছি।ক্ষমতার অপব্যবহার করি নি।কারন এটা আমার পদ নয় এটা বঙ্গবন্ধুর পদ এটা দেশরত্ন শেখ হাসিনার পদ।এটি বাহক এর মতো শুধু ক্ষনিকের জন্য দায়িত্ব পালন করছি।অাজ অামার কাল আরেকজনের।পদ ধরে রাখার পক্ষে আমি কখনো সমথর্ন করি না।আমি নিত্য নতুন সৃজনশীল রাজনীতি চর্চা করি।দেশরত্ন শেখ হাসিনা যা একটি মঞ্চ তৈরি করে বুঝিয়ে দিয়েছে।অচিরেই শুধু মাত্র ছাত্রলীগের কেন্দ্র সম্মেলন ছাড়া অন্য সব সংগঠনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত করে, ওনি অনেক কিছু আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছেন।এখান থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন।

পদ পদবি রাজনীতির কখনো প্রধানতম হাতিয়ার হতে পারে না। একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠনে একজন কর্মী হয়েও রাজনীতি করা অনেকটা গৌরবের। বঙ্গবন্ধু দীর্ঘ সময় পদ পদবি ছাড়া রাজনীতি করেছেন নিশ্চয়ই আমরা তার উর্ধে নয়।

এখনকার সময় কেউ পোস্ট বা পদ- পদবি ছাড়া রাজনীতি করতে পারে না।রাজনীতি করতে নাকি পদ অবশ্যই প্রয়োজন।

আমি তার সম্পূর্ণ বিপরীত।আমরা পদ ছাড়া রাজনীতি করেছি ,  দীর্ঘদিন পরে সংগঠনকে গতিশীল করার জন্য শুধুমাত্র নৈতিক ভাবে দায়িত্ব অর্পণ করেছে।

আপনি যখন পদ পদবি খুজবেন তখন পদ আপানকে ধরা দিবে না,কিন্তু যখন আপনি পদ খুজবেন না, তখন পদ আপনার কাছে ধরা দিবে। এটাই চরম বাস্তবতা। আমাকে যদি আমার নীতিনির্ধারকেরা বলেন – আজকে পদ ছাড়তে হবে , আমি এক মিনিট দেরি করবো না।

প্রখ্যাত রাষ্ট্র বিজ্ঞানের জনক এরিস্টটল বলেছেন –

জনগণের সর্বোচ্চ সেবা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলো একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির ধর্ম।

ঠিক আমিও তাই মনে করি।রাজনীতিতে পাওয়া না পাওয়া বা চাওয়া পাওয়ার কোন বিষয় নয়। রাজনীতি একদিনের নয়।
রাজনীতি ক্রিকেট খেলার মতো ক্রিজে থাকলে রান আসবেই।

ভুল হলে নির্দ্বিধায় ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি প্রত্যাশা করছি। আবেগের জায়গা থেকে তৃণমূলের কর্মী-

মোরশেদ হোসাইন তানিম 

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কক্সবাজার জেলা ।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*