সন্ত্রাসী কতৃক এলোপাতাড়ি হামলায় সাংবাদিক পুত্র ইউনুস সহ ৫ জন আহত

dailybarta71dailybarta71
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  02:04 PM, 17 November 2019

ডিবি৭১ ডেস্ক: লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড, কবিরার দোকান (আড়াই মাইল) এলাকায় নিজস্ব বাগানে, কর্মচারী নিয়ে কাজ করার সময় অদ্য ১৭ নভেম্বর বিকেল ৪টার সময় লামা উপজেলা ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার রহিম উদ্দিন (রহিম মেম্বার) এর নেতৃত্বে স্থানীয় সন্ত্রাসী জিয়াবুল, মনিয়া, মুন্নি আক্তার সহ ১৫-২০ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ইউনুস সহ ৫ জন কে বেদম প্রহার করেছে বলে জানিয়েছেন, ইউনুসের পিতা চকরিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড (হাজিয়ান) এর বাসিন্দা প্রবীণ সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম। সাংবাদিক পুত্র মোহাম্মদ ইউনুসকে রামদা ও লোহার রড নিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করে। ইউনুস বর্তমানে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সাংবাদিক সিরাজ জানান, আমার মালিকানাধীন বাগানে, স্থানীয় কিছু কুচক্রী মহল অবৈধভাবে দখল করতে চাইলে, বিগত ০৭ নভেম্বর বান্দরবান জেলা মাজিস্ট্রেট মহোদয়ের রায়ের অনুকূলে , ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ পরিদর্শক জয়নাল আবেদীন ও স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম সহ একদল পুলিশ উপস্থিত থেকে সার্ভেয়ার দ্বারা সীমানা নির্ধার করে ভুমিদস্যুদের উচ্ছেদ পূর্বক আমাকে শান্তি পুর্ণভাবে অবস্থানের নির্দেশনা দেয়। ভূমিদস্যুরা আদালতের অাদেশ অমান্য করে, আমাদের কে বারবার আক্রমণ করতে আসে। গত ১১ নভেম্বর আমাদেরকে আক্রমণ করিলে বিগত ১৪ নভেম্বর লামা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করিলে, তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হয়। এতে তারা আরও বেশি ক্ষুব্ধ হয়ে, আদালতের রায়ের তোয়াক্কা না করে, আজকে আমার ছেলেকে মেরে ফেলার জন্য হামলা করে। প্রতিদিনের মতো মোহাম্মদ ইউনুস ৭/৮ জন শ্রমিক নিয়ে বাগানের কাজ করে আসছিল। আজ বিকেল অানুমানিক ৪ টার সময় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের এমইউপি রহিম মেম্বারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমার বাগানে উপস্থিত হয়ে, আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে শরিরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম করে এবং তার কাছ থেকে এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও নগদ পনের হাজার টাকা চিনিয়ে নেয়। তাঁকে উদ্ধারের জন্যে শ্রমিকরা এগিয়ে এলে তাদেরকেও এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করে। জীবনবাজি রেখে আমার ছেলে কোন রকম পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে। অন্যতায় সন্ত্রাসীরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলতো। এদিকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ইউনুসের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের প্রচুর চিহ্ন দেখা যায়। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন, সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন :