• মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
Headline
চকরিয়ায় প্রথম ও সর্ববৃহৎ নারী উদ্যোক্তা সংগঠনের বর্ষপূর্তি পালিত চকরিয়ায় পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন ওয়ার্কশপ ও সেমিনার কোনাখালী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রত্যাশী সাবেক ছাত্র নেতা জাফর সিদ্দিকী চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে দুই সহোদরের পরাজয় কাউন্সিলর আঞ্জুমান আরা কে অভিনন্দন জানালেন যুবলীগ নেতা সুমন কাউন্সিলর নুরুল আমিন কে অভিনন্দন জানালেন যুবলীগ নেতা সুমন শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে আলমগীর চৌধুরী পুনরায় মেয়র নির্বাচিত রাত পোহালেই চকরিয়া পৌরসভায় ইভিএমে ভোট গ্রহণ,প্রশাসনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চকরিয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোর পূর্বক বসতভিটা দখল চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার প্রসঙ্গে জাহেদুল ইসলাম লিটু

স্বল্প জনবলে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চকরিয়া

মনসুর মহসিন / ১৫৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১


মনসুর মহসিন, চকরিয়া কক্সবাজার। 


চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবলের অভাবে আগত রুগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দিতে পারছেনা । কক্সবাজারের জনবহুল উপজেলা চকরিয়া। ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সমন্বয়ে এ বিশাল উপজেলা শহরটির প্রাণ কেন্দ্র থেকে মহেশখালী, পেকুয়া- কুতুবদিয়া ও লামা- আলীকদম উপজেলায় যাতায়াতের ট্রানজিট হওয়ায়, এসব এলাকার লোকজনদের চিকিৎসা নেওয়ার মূল পয়েন্ট হচ্ছে চকরিয়া। ৬ টি উপজেলা থেকে প্রতিদিন তিন/চারশ নারী-পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধ লোক চকরিয়াতে চিকিৎসা নিতে আসেন।চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল। সম্প্রতি এটি ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রুপান্তরিত হলেও লোকবল, যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র ও কোন ধরনের ডাক্তার-নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়নি। অবকাঠামোগত ভবন তৈরি হয়ে গেছে বিগত একবছর পূর্বে। পর্যাপ্ত লোকবলের অভাবে যথাযথ চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন ডাক্তার গণ। ৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে বর্তমানে ২১ জন চিকিৎসকের বিপরীতে ৫ জন চিকিৎসক, নার্স ১৯ জনের বিপরীতে ১৮ জন, আয়া ৫ জনের বিপরীতে ২ জন ও সুইপার ২ জনের বিপরীতে ১ জন কর্মরত আছেন। এত অল্প লোকবল নিয়ে রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেওয়া প্রায় অসম্ভব বলে দাবি করছেন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত উপ সহকারী মেডিকেল অফিসার রেজাউল করিম সোহেল।চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে বর্তমানে নিম্ন লিখিত পরীক্ষা সমুহ চালু রয়েছে – ম্যালেরিয়া,টাইফয়েড, জন্ডিস,ডায়বেটিস, এন্টি এইচআইভি, প্রেগন্যান্সি, ব্লাডক্রস ম্যাচিং কফ/টিবি কোভিড-১৯, ডিজিটালএক্সরে, আল্টাসনোগ্রাফী, সেমি অটোএনালাইজার মেশিন সংযোজন করা হয়ছে। এখানেও জনবলের অভাবে বড়ধরনের পরীক্ষা গুলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ রোগীরা।
 সরেজমিনে দেখা যায়, চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে ৫০ সীটের বিপরীতে ১৪৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছে, যার মধ্যে শিশু রোগীই ৯০ জন।বারান্দাতে যে বসিয় চিকিৎসা দিবে তা কোন জয়গা নেই। শিশু ওয়ার্ড এর প্রতিটা সীটে তিনটা চারটা করে শিশু। অধিকাংশ রুগী সিরিয়াস। সকলের অক্সিজেন লাগছে। সিস্টার, ডাক্তার কিন্ত ঐ ২/৩ জনই।চিকিৎসা নিতে আসা ৩ বছরের শিশু সাবিহা করিমের পিতা আবদুল করিম বিটু বলেন,  আমার বাচ্চা এখনো সুস্থ হয়নি তারপরও সিট কেটে দিছে।আরেকজন ৫৫ বছর বয়সী ছৈয়দ আলম বলেন প্রচন্ড পেট ব্যাথা নিয়ে দুই দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি, গতকাল সিট পেয়েছি আজকে একটু ব্যাথা কম হওয়ায় আমার সিট কেটে দিছে। এখন বাড়িতে গিয়ে আরও সাতদিন চিকিৎসা নিতে হবে বলে জানিয়েছেন ডাক্তার সাহেব।  হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার শাহ্ ফাহিম আহমাদ ফয়সাল জানান, একটা রোগী সম্পুর্ন ভালো হতে ৫/৭ দিন সময় লাগে, এমনকি ১৫ দিন ও লাগতে পারে। কিন্তু একটু ভালো হলে অক্সিজেন দেওয়া নাগলেই বা আশংকামুক্ত মনে হলে রোগীটা বাড়ী গিয়ে বাকি চিকিৎসা নিতে পারার পরামর্শ দিয়ে হাসপাতাল থেকে আমরা ছেড়ে দিচ্ছি এবং তার জায়গায় অন্য সিরিয়াস রোগী ভর্তি করানো যায়। সিরিয়াস রোগীদের তো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তি দিতে হবে এবং সিট খালি করতে হবে।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদুল হক যুগান্তরকে বলেন, হাসপাতালে সরকারী চিকিৎসা সেবা নিতে আসা ধনী-গরীব সবার জন্য সার্বজনীন সুবিধা বিদ্যমান। আমি এই হাসপাতালে দায়িত্ব নেওয়ার একবছরের মধ্যে সেবার মান বেড়েছে কয়েক গুন। জনবল সঠিক থাকলে এটি হয়তো আরও বেশি হতো। জনবলের অভাবে যথাযথ সেবা দিতে না পারায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category