• বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২, ১১:২২ অপরাহ্ন
Headline
চকরিয়ায় নলবিলা বন বিটের বাগান থেকে নিজের বাগান দাবি করে বিপুল গাছ কর্তন শীতার্ত ছিন্নমূল মানুষ এবং অবহেলিত কক্সবাজারের দরিদ্র জনগণ —– সাংবাদিককে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন শাহীন সরওয়ার! ডুলাহাজারায় ইউপি মেম্বারের নেতৃত্বে পরিষদে হামলা, ইউপি সচিব, গ্রামপুলিশসহ আহত ৫ চকরিয়ায় দিনদুপুরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, লুটপাট, আহত-২ চকরিয়া প্রবাসী কল্যাণ একতা সমবায় সমিতির প্রথম বর্ষপূর্তি চকরিয়া ফাসিয়াখালীতে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ৩ জন আটক চকরিয়া বদরখালীতে কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের স্টাফ কোয়ার্টারে হামলা, মালামাল লুট ঢেমুশিয়া জিন্নাত আলী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বনবিভাগের ৫ একর সংরক্ষিত বনভূমি জবরদখল মুক্ত

অনুমতি বিহীন সরকারি অফিসে ঢুকে ফেসবুকে লাইভ প্রচার করায় মোবাইল ফোন জব্দ

Reporter Name / ২৮০ Time View
Update : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

চকরিয়া প্রতিনিধিঃ
চকরিয়া উপজেলাধীন হারবাং ইউনিয়ন পরিষদে ১২ সেপ্টেম্বর গ্রাম আদালত চলাকালীন হারবাং শাহ সুফি মাজারের খাদেম মৃত ফয়েজ আহমদ ফকির এর পুত্র আবুল হাশেম শাহ সহ তার অপর ৩ (তিন) ভাই সাজ্জাদ হোসেন (সাকিব), আবুল কাশেম ইমন, মোহাম্মদ শাহজান ও অন্যান্য দলবলসহ তাদের পিতার ওয়ারিশ সনদপত্রের জন্য পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন পরিষদে এসে অফিস কক্ষের বাইরে থেকে লাইভ সম্প্রচার করে গ্রাম আদালত চলাকালীন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কক্ষে প্রবেশ করে।
পরিষদের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন কাদের ওরা কেন আসছে জানতে চাইলে তারা জানায় লাইভ চলতেছে। সচিব সরকারী কার্যালয়ে বিনা অনুমতিতে লাইভ কেন জিজ্ঞেস করলে তারা জানান আমরা ইউএনও স্যারের সাথে আলাপ করে এখানে এসেছি। ইউপি সচিব তৎক্ষনাৎ ইউএনও স্যারকে বিষয়টি মোবাইল ফোনে অবগত করেন। ইউএনও মহোদয় সচিব ও চেয়ারম্যান সাহেবকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। ইউএনও স্যারের নির্দেশনা মতে বিনা অনুমতিতে লাইভ ধারণকৃত মোবাইল দুটি জব্দ করে ইউএনও স্যারের কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন,
আবুল হাশেম শাহকে ইউনিয়ন পরিষদে ওয়ারিশ সনদপত্র প্রদানের ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী আবেদনপত্রে চেয়ারম্যান অনুমোদন দিলে তারপর পরিষদের ডিজিটাল সেন্টার থেকে সনদপত্র ইস্যু হয়। এখানে সচিবের করণীয় থাকে চেয়ারম্যানের অনুমোদনের পর। তখনো তারা লাইভ চালিয়ে যাচ্ছিল। এরপর সচিব গ্রাম আদালতে বিচার কার্যক্রমে এজলাসে থাকা চেয়ারম্যানকে ডেকে আনেন এবং চেয়ারম্যান সাহেব ইউএনও স্যারের নির্দেশে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে আবুল হাশেম শাহ’র দুই ভাইয়ের মোবাইল জব্দ করে লিখিত ফরওয়ার্ডিংসহ দফাদার মারফত ইউএনও অফিসে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু ২ টি মোবাইল জব্দ করা হলেও আবুল হাশেম শাহ তার হাতে থাকা মোবাইলে লাইভ ধারণ করে পালিয়ে যায়। ইউপি সচিব জানান বিগত প্রায় ৩/৪ বৎসর যাবত চেয়ারম্যানের সাথে মাজার মসজিদের একটি মিথ্যা ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবুল হাশেম শাহ চকরিয়া সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করে আসছে। উল্লেখিত ঘটনার জের ধরেই আবুল হাশেম শাহ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে গতকাল ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সচিব কক্ষে প্রবেশ করে বিনা অনুমতিতে লাইভ প্রচার করে অন্য আরেকটি ঘটনা সাজানোর অপচেষ্টা চালিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম বলেন, গ্রাম আদালত চলাকালীন হঠাৎ কয়েকজন যুবক ইউনিয়ন পরিষদে ঢুকে ফেসবুকে লাইভ প্রচার করায় ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশে তাদের মোবাইল গুলো জব্দ করে ইউএনও অফিসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালত চলাকালীন মোবাইলে ভিডিও ধারণ করায় দুইটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category