• শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন

পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে নৌকায় জাফর সিদ্দিকী

নির্বাহী সম্পাদক / ১০৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১



জননেতা জাফর আলম সিদ্দিকী সজ্জন, বিনয়ী এবং একজন  সাদা মনের মানুষ ।তিনি 28 তারিখের  নৌকা মনোনীত কোনাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী । যেখানে ঘুমিয়ে আছেন শহীদ দৌলত খান।যিনি স্বৈরাচার এরশাদ  বিরোধী আন্দোলনে  চকরিয়ার রাজপথে পুলিশের  গুলিতে শহীদ হন।

       কোনাখালী ইউনিয়ন  চকরিয়া উপজেলা আওতাভুক্ত মাতামুহুরি পাড়ের একটি অবহেলিত জনপদ। সারা দেশের উন্নয়ন সমৃদ্ধির পর্যালোচনায়  কোনাখালী ইউনিয়ন  অনেক পিছিয়ে।আসন্ন নির্বাচনে বিভিন্ন প্রার্থীদের মিটিং এ  বারবার উঠে আসছে কোনাখালী একটি ভীতিকর জায়গার নাম।আইন শৃঙ্খলা পরিবেশের  অবনতি সহ জবর দখল, অনিয়ম বিশৃঙ্খল অবস্থা নিয়ে কথা বলা হচ্ছে বারবার।তাই সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী তার  পছন্দের মানুষ হিসেবে জাফর সিদ্দিকীর উপর আস্থা রাখেন। তাই ইউনিয়নের  বৃহত্তর স্বার্থে নৌকা জয়ের পথে সবাইকে আন্তরিক ভাবে কাজ করা সময়ের সঠিক সিদ্ধান্ত।  

    রাজনীতি অধিকার আদায়ের এক অনন্য প্লাটফর্ম। বঞ্চিত নিপীড়িত অধিকার হারা জনতার দাবীর সম্মিলিত আওয়াজ। কিন্তু আজ রাজনীতি কালোবাজারি, অঢেল টাকার মালিক এবং পেশী শক্তির মালিকদের কাছে ভূসম্পত্তি। সুবিধাবাদী মানুষের কাছে একটি টাইটেল এবং বিলাসিতা। তাই রাজনীতির সুনাম নিয়ে আজকে মানুষের মধ্যে নানাবিধ প্রশ্ন।ফলে শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমের বঙ্গবন্ধুর দেখা সোনার বাংলা বিনির্মাণে বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকারের  অধীন সর্বনিম্ন একটি প্রতিষ্ঠান। গনতান্ত্রিক সরকারের প্রাথমিক স্থর বা মৌলিক ভিত্তি। তৃণমূল পর্যায়ের এই প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা না থাকলে সামাজিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এবং উন্নয়ন অগ্রগতিতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। তাই ঐক্যবদ্ধ ঐক্যমত ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সপ্নের সিড়ি।

মাতামুহুরি পাড়ের দুই লাখ মানুষের দাবির প্রতি সন্মান জানিয়ে মাননীয় সাংসদ কক্সবাজার (এক) জনাব জাফর আলমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সাত ইউনিয়ন নিয়ে মাতামুহুরি উপজেলা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রক্রিয়াধীন আছে।বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদের মধ্যে আলোর মুখ দেখতে পাবে বলে আশাবাদী মানুষ।  যাহা আমাদের আগামী প্রজন্মের সুন্দর সমৃদ্ধি জনপদের অবিস্মরণীয় পাওনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে নাগরিক সুবিধা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।তাই মাতামুহুরি উপজেলা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য নৌকা মার্কার বিজয় খুবই জরুরি। কারণ ইউনিয়ন পরিষদের আগামী পথচলার পাঁচ বছর সাত ইউনিয়ন বাসীর ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সময়। কারণ উপজেলা বাস্তবায়ন এবং মাতারবাড়ি ভিত্তিক সরকারের মেগা প্রকল্প নিয়ে উন্নয়নের পথে  সরকারের হাতকে শক্তিশালী এবং স্থানীয় সামাজিক দায়বদ্ধতার জন্য যোগ্য নেতা নির্বাচন আবশ্যক। তাই বৃহত্তর স্বার্থে শেখ হাসিনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা দরকার।

   জাফর আলম সিদ্দিকী রাজনীতির কঠিন সময়ের পরীক্ষিত সাবেক ছাত্র নেতা। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর রাজনীতির দুর্যোগকালীন  সময়ে জ্বলে পুড়ে রাজনৈতিক শুদ্ধতম পুরুষ। ছাত্র রাজনীতি কালীন পায়ে হেটে বৃহত্তর চকরিয়ার আনা কানাচে বঙ্গবন্ধু মুজিবের আদর্শ গ্রামে নিয়ে যেতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। নিজের হাত খরচটা না খেয়ে রাজনৈতিক প্রোগ্রামে এবং কর্মীদের পিছনে খরচ  করা একজন ত্যাগী মুজিবাদর্শের   কর্মবীর। আজকের  রাজনীতির সুখের দিনে যা কেউ কল্পনা ও করতে পারবে না। রাজনীতির দীর্ঘ সময় কত দিন উপোস থেকেছে টাকার অভাবে তিনি এবং তার সহযোদ্ধারা ছাড়া কেউ বলতে পারবে না।তাই  কোনাখালী  নিয়ে  যখন রাজনীতির অনিরাপদ পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা মহল হতাশ, তখন তার থেকে  উত্তরণ এবং পরিবর্তনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ কালীন সময়েরই যোদ্ধা জাফর সিদ্দিকীর  উপর দায়িত্ব অর্পণ করেন।হাতে নৌকা দিয়ে। জাফর ভাইয়ের শুভাকাঙ্ক্ষীদের মতামতে দেখা যায় উনি কোন প্রতিহিংসা চরিতার্থ কিংবা ব্যবসার মনোভাব নিয়ে, বিচার বানিজ্য  করার জন্য ভোটের মাঠে আসেন নাই। সরকারের উন্নয়নের কর্মসূচির সঠিক পরিচর্যা,সুশাসন, বিনা হয়রানিতে সুবিচার  এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে রাষ্ট্রের সুবিধার সুষম বন্টন নিশ্চিত করতে চান তিনি । তাই ভোটারদের নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

   নৌকা স্বাধীনতা উন্নয়ন সমৃদ্ধি এবং গনতন্ত্রের প্রতীক। শোষিত শ্রেণি মানুষের আশ্রয়।  স্বাধীকার, মৌলিক অধিকার আদায় আন্দোলনে অনেক নেতা কর্মী আত্মদান করেন। এই কোনাখালীর শহীদ দৌলত খান তাদের অন্যতম।সুষ্ঠু রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রচার প্রসার ঘটাতে পারলে দৌলত খানের এই জনপদ হয়ে যেত অনেক পরিচিত একটি স্থান।নেতাদের অনুভূতির জায়গা। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হয় দৌলত খানের আত্মদান কে সঠিক মুল্যায়ন করা হয় নাই।শহীদ দৌলতের স্মৃতি রক্ষার্থে স্থায়ী কোন পরিকল্পনা নেওয়া হয় নাই।এমন তো কথা ছিল  না।শহীদ দৌলত খান যে দলের হয়ে আত্মদান করেছেন সে দল ক্ষমতায়। তবুও দৌলত খানের রাজনৈতিক মর্যাদা অবহেলিত।তাই  আমরা দৌলত খানের সহযোদ্ধারা কোনাখালী ইউনিয়নকে শহীদ  দৌলতের নাম দিয়ে  “দৌলত নগর”ইউনিয়ন  করার আবেদন জানাচ্ছি। অত্র ইউনিয়ন  দৌলতের নামে পরিচিত হয়ে উঠলে প্রশাসনিক সহযোগিতা এবং রাষ্ট্রের সুনজর আশা করা যাবে বলে মনে করেন রাজনৈতিক অভিজ্ঞ সমাজ।সর্বোপরি আগামী প্রজন্ম দৌলত খানকে নিয়ে জানতে পারবে ।ফলে দেশপ্রেমিক মানবহিতৈষী নাগরিক সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকার বাহন হয়ে থাকবে। নির্বাচিত ইউনিয়নের প্রতিনিধির কাছে  “দৌলত  নগর” ইউনিয়ন  নাম দিয়ে দৌলত খানের আত্মদান কে সন্মানিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করি।আর কার্যকর ভূমিকা পালন করার জন্য  জননেতা  জাফর সিদ্দিকীর প্রতি ব্যক্তিগত অনুরোধ থাকবে।নৌকার জাফর সিদ্দিকী জয় হবে ইনশাআল্লাহ। আশাবাদী সচেতন মানুষ। 
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু


————
লেখক -বদরুল ইসলাম বাদল
সাবেক ছাত্র নেতা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category