• বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
Headline
চকরিয়ায় নলবিলা বন বিটের বাগান থেকে নিজের বাগান দাবি করে বিপুল গাছ কর্তন শীতার্ত ছিন্নমূল মানুষ এবং অবহেলিত কক্সবাজারের দরিদ্র জনগণ —– সাংবাদিককে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন শাহীন সরওয়ার! ডুলাহাজারায় ইউপি মেম্বারের নেতৃত্বে পরিষদে হামলা, ইউপি সচিব, গ্রামপুলিশসহ আহত ৫ চকরিয়ায় দিনদুপুরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, লুটপাট, আহত-২ চকরিয়া প্রবাসী কল্যাণ একতা সমবায় সমিতির প্রথম বর্ষপূর্তি চকরিয়া ফাসিয়াখালীতে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ৩ জন আটক চকরিয়া বদরখালীতে কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের স্টাফ কোয়ার্টারে হামলা, মালামাল লুট ঢেমুশিয়া জিন্নাত আলী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বনবিভাগের ৫ একর সংরক্ষিত বনভূমি জবরদখল মুক্ত

দলের নেতারা জামায়াত নেতার পক্ষে কাজ করায় নৌকার পরাজয় হয়েছে- জিয়া উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক / ১৫২ Time View
Update : বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২১

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :
চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠেয় ইউপি নির্বাচনে কক্সবাজারের চকরিয়া বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের কৌশলগত কারণে নৌকার প্রার্থী এটিএম জিয়াউদ্দিন চৌধুরী জিয়াকে পরাজিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ তুলে নৌকার প্রার্থী জিয়াউদ্দিন চৌধুরী মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে তার বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি ১৯৭৩ সনে পেকুয়া জিএমসি ইনস্টিটিউশনে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ার সময় স্কুল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। পরে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার পর মাঠে-ময়দানে আমরা মিছিল করতে গিয়ে কত জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছি। পরে অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে বৃহত্তর চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম আহবায়ক বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদে অধিষ্টিত হয়েছি। দীর্ঘ ৪৮ বছর আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। আমি জাসদ, বাসদ ও বিএনপির থেকে আসিনি। আমার পরিবারে সবাই আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। দুই বার জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছি।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনের তফসীল ঘোষণার পর ইউনিয়ন ও উপজেলা থেকে আমার নাম পর্যন্ত যায়নি। তবে জেলা আওয়ামী লীগ আমার নাম ১ নম্বরে পাঠিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের রিপোর্ট ভালো পেয়ে আমাকে নৌকা প্রতিক দিয়েছেন। এই নৌকা বঙ্গবন্ধুর নৌকা, এই নৌকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার, এই নৌকা আওয়ামী লীগের। কিন্তু চকরিয়া উপজেলা ও বরইতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মী নৌকাকে হারাতে কলকাড়ি নেড়েছেন। কিছু আওয়ামী লীগ লোক দেখানো আমার মিটিং-মিছিলে এসেছেন। কিন্তু তলেতলে তারাও নৌকার বিপক্ষে কাজ করেছেন।
এদিকে কিছু নীতিহীন নেতা জামায়াত নেতা (স্বতন্ত্র প্রার্থী) মো. ছালেকুজ্জামানের পক্ষ হয়ে কাজ করেছেন। উনাকে জিতিয়েও দিয়েছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য জাফর আলম দৈবক্রমে একবার আমার নির্বাচনী মিটিংয়ে এসে নৌকার পক্ষে বললেও শেষে একটি হিন্দি গানের প্রথম লাইন (মেরা আঙ্গিনা মে তেরা কাম কিয়া হ্যা) গেয়ে তিনি নৌকার বিরুদ্ধে বুঝিয়েছেন।
বরইতলীতে এমপি জাফর আলমের অনুসারী হিসেবে খ্যাত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম গত নির্বাচনে নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করে ছিলেন, এই নির্বাচনেও সে প্রকাশ্যে জামায়াত নেতার পক্ষে ভোট করেছেন বলে জানান নৌকার প্রার্থী জিয়া উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের আগে নৌকার পক্ষে কাজ করায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকমীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হয়েছে। জেলার একজন সিনিয়র নেতা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের কিছু নেতা-কর্মী জামায়াত নেতা ছালেকুজ্জামানের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে নৌকাকে হারিয়েছেন।
আমি নৌকা নিয়ে কেন হারলাম বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে চাই। দলীয় পদ নিয়ে যারা দলের ভিতরে অন্তঃকোন্দল তৈরী করে নৌকার প্রার্থীকে পারজিত করেছেন তাদের মুখোশ উন্মোচিত হউক এটাই আমার প্রত্যাশা। ##


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category