• মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
Headline
চকরিয়ায় প্রথম ও সর্ববৃহৎ নারী উদ্যোক্তা সংগঠনের বর্ষপূর্তি পালিত চকরিয়ায় পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন ওয়ার্কশপ ও সেমিনার কোনাখালী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রত্যাশী সাবেক ছাত্র নেতা জাফর সিদ্দিকী চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে দুই সহোদরের পরাজয় কাউন্সিলর আঞ্জুমান আরা কে অভিনন্দন জানালেন যুবলীগ নেতা সুমন কাউন্সিলর নুরুল আমিন কে অভিনন্দন জানালেন যুবলীগ নেতা সুমন শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে আলমগীর চৌধুরী পুনরায় মেয়র নির্বাচিত রাত পোহালেই চকরিয়া পৌরসভায় ইভিএমে ভোট গ্রহণ,প্রশাসনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চকরিয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোর পূর্বক বসতভিটা দখল চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার প্রসঙ্গে জাহেদুল ইসলাম লিটু

প্রসঙ্গ মগনামাঃ কি ভাবে আসবে শান্তি!

Reporter Name / ৩৪ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সাইফুল ইসলাম বাবুলঃ

পেকুয়া উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন হচ্ছে মগনামা। শিক্ষায় ও রাজনীতিতে প্রতিযশা ব্যক্তিদের জন্ম অত্র ইউনিয়নে।। অতীতে বৃহত্তর অংশ পরে রাজাখালী, মগনামা ইউনিয়ন এর পর
উজানটিয়া ইউনিয়ন পৃথক হয়ে মুল মগনামা ইউনিয়ন নিয়ে বর্তমান মগনামা ইউনিয়ন। একসময়ের মগনামা ব্যাবসা বানিজ্যে কৃষিতে উৎকার্ষিত জায়গা যদিও জমিদার অধ্যুষিত এলেকা তবুও শাসন ছিলো শান্তিময় ছিলো।যখনই অত্যচারিতো হয়েছে তখননই ফুসে উঠেছে মগনামা।

স্বাধীনতার পর বৃহত্তর কৃষক আন্দোলন মগনামাতেই সংগঠিত হয়ে ছিলো। গুষ্টি কেন্দ্রিক সন্ত্রাসী লালন ছিলো নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। তাই হত্যা রাহাজানি লেগেই আছে, তার ধারাবাহিকতায় এক মোডলীপনা সহজাত হয়ে উঠে। অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত এ ধারাবাহিকতা চালু আছে। সহজে দা- কিরিজ বন্ধুক হাতে নিতে দ্বিধা করেনা।

ধরে নিলাম মগনামা আগে প্রত্যন্ত অঞ্চল ছিলো কিন্তু এখন সহজ যোগাযোগ তবুও কেনো রাহাজানি? কারন একটাই রাজনৈতিক দূবৃত্তায়ন এবং অধিপত্যে বিস্তারের ইচ্ছা। যখনই কোনো ঘটনা হয় রাজনীতি বিদরা নিরেপক্ষ থাকেনা তাই প্রশাসন থাকে এক চোখা।

হত্যা দস্যূতা কেউ সমর্থন করেনা। কিন্তু সেই গুলোই লালন করে মগনামা এখন কিশোর গ্যাং টিন এজারদের হাতে অস্ত্র, সূক্ষ ভাবে দেখুন কে দিয়েছে । দল ভারি করার জন্য বিনা প্ররিশ্রমে টাকা বিলানো। মানুষ মরুক আমাকে জিন্দাবাদ পেতেই হবে।সাথে চলে গেলো সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী হওয়ার মন-মানসিকতা। যারা হামলার শিকার খোঁজ নিলে দেখা যাবে তারা কোনো না কোনো ভাবে অত্যচারী ছিলো।

আরেক নতুন অশান্তি নিরীহ লোকজনকে আসামী করা। ফলে কেউ ঘর ছাড়া তারা ধীরে ধীরে প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে হয়তো নিত্য নতুন ঘটনার জন্ম দিতে পারে। নিরীহ লোক আশ্রয় পায়না, নিরাপত্তা পায়না। তাহলে মগনামার মানুষ কি নব্য ফিলিস্তিনি? ঘটনা করেছে গুটিকয়েক লোক প্রকাশ্যে দিবালোকে তা হলে চিনাই যাচ্ছে সন্ত্রাসী কারা। তার সঙ্গে কেনো ভালো লোকদের মিশাল দেওয়া হচ্ছে।

অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় সংবাদকর্মী হাসেমের ঘোটা পরিবার আসামী। সেখানে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী, স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র, অসুস্থ স্ত্রী। সংবাদকর্মী হিসাবে হাসেমকে বাদ দেওয়া হলেও তার মানহানী করা হয়েছে।তার সন্তানদের যখন অসামী করা হলো তাদের পিতার স্থলে হাসেমের নাম লিখার সময় লিখা হলো লন্ডা হাসেম ছিঃ ! কি বিশ্রী। থানা মহোদয় কি কাগজটি পড়েনাই। এলেকায় নেই এ রকম অধিকাংশ নিরীহ লোকই আজ আসামী।

মোদ্দা কথা হলো সামনে নির্বাচন। প্রতিপক্ষকে গায়েল করা, ব্যংখোয়ালের ঘোনা দখল, মামলা দিয়ে মানুষ তাড়িয়ে শ- দুশ লোক নিয়ে মাছ ধরতে দেখা গেছে। এর আগে কিন্তু মাছ লোট তাই বলছি কে হবেন আগামী মগনামা রূপ লংকায় রাবণ। ভাসুদের ভয় লাগে তাই কারো নাম উচ্ছারন করবোনা।যদি প্রশাসনের সু দৃষ্টি থাকে, নেতারা যদি ভালো হয়ে যায়, মাদকের পথ যদি রোধ করা হয়, সন্ত্রাসীদের কাছে থাকা অস্ত্র উদ্ধার করা হয়, ব্যাংখোয়াল ঘোনার ঘটনা নিয়ে অন্য জায়গায় তল্লাশী করা না হয়, ব্যাক্তি স্বাধীনতাকে লালন করা হয়, যার যার ব্যাবসা তাকে করতে দিলে মনে হয় মগনামা শান্তি হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category