• শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন – জাফর ছিদ্দীকী

মনসুর মহসিন / ১৬৫ Time View
Update : রবিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২১

মনসুর মহসিন, চকরিয়া, কক্সবাজার।

কোনাখালী ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জননেতা জাফর আলম ছিদ্দীকী’র সালাম নিন নৌকা মার্কায় ভোট দিন।

প্রিয় কোনাখালীবাসী আসসালামু আলাইকুম।

আমি আপনাদের ছেলে/ আপনাদেরই ভাই।
এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে আমার দুটো কথা —

প্রিয় এলাকাবাসী,
কেন আমাকে নৌকায় ভোট দেবেন?

একটি ইউনিয়ন পরিষদ কি পাচ্ছে, আর জনগণকে কি দিচ্ছে ?

বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে সেবা আমাদের পাওয়ার কথা তা কি আমরা পাচ্ছি?
ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকারের মজবুত ও শক্তিশালী একটি প্রতিষ্ঠান। সরকারের পাশাপাশি বিশ্ব ব্যাংক থেকেও বড় অংকের অনুদান প্রদান করে থাকে ইউনিয়ন পরিষদে।

আয়তন, লোকসংখ্যা ও অবকাটামো বিবেচনায় বিশ্ব ব্যাংকের এলজিএসপি-৩ এর আওতায় প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নে বছরে ২৫ লাখ থেকে ১কোটি টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দিয়ে থাকে।

উল্লেখ্য যে, এই টাকাগুলো কোন ঝক্কি-ঝামেলা কিংবা উপরি দেয়া ছাড়াই সকল চেয়ারম্যানদের ইউপি গুলোতে চলে আসে।

ইট-ঢালাই, রাস্তা, কালভার্ট, বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগ, সীমানা প্রাচীর, বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের জন্য আধুনিক মানের ড্রেসিং ব্যবস্থা / বাথরুম বানানো, এমন আরও হরেক রকম কাজে ব্যয় করা যায় এই টাকা গুলো।

সাধারণ ভাবে হিসেব করলে প্রতিজন চেয়ারম্যান শুধু বিশ্ব ব্যাংক থেকে ৫ বছরে পায় প্রায় দেড় থেকে পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ পেয়ে থাকেন। যে টাকা দিয়ে অনায়াসে একটা ইউনিয়ন সুন্দর ভাবে সাজানো সম্ভব।
আরও আছে যেমনঃ-
কর্মসৃজন প্রকল্প থেকে ৩৫-৪০ লাখ টাকা।
এডিবি থেকে ১২-১৪ লাখ টাকা।
কাবিটা থেকে ১০-১২ লাখ টাকা।
কাবিখা থেকে ১০-১২ লাখ টাকা ইত্যাদি।

বন্যার বাঁধ উন্নয়নে পিআইসি’র টাকা ছাড়াও অসংখ্য বরাদ্দ আসে ইউনিয়ন পরিষদে। বিভিন্ন দুর্যোগ, মহামারীতে আসে বিশেষ বরাদ্দ নামে আপদকালীন জরুরী মেরামত/সেবা’র টাকা। কিন্তু টাকাগুলো ব্যয় হয় কোথায় ?

একজন ইউপি চেয়ারম্যানের স্বদিচ্ছা, মানুষের প্রতি ভালবাসা ও এলাকার প্রতি দায়বদ্ধতা থাকলে তিনি নিজ ইউনিয়নের ভেতর পাড়া-গাঁয়ে প্রায় সকল কাঁচা-কাঁদা রাস্তা সংস্কার এবং টেকসই বেড়িবাঁধ ব্যবস্থাসহ জন দুর্ভোগ লাঘবে ছোট ছোট সকল সমস্যা সমাধান সরকারী বরাদ্দ থেকে করে দিতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
অথচ অতীতের চেয়ারম্যানদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে বলে বরাদ্দ নেই!
তাহলে, সরকার প্রতি বছর ইউনিয়ন পরিষদে যে টাকাগুলো বরাদ্দ হিসেবে দেয় সেগুলো যায় কোথায়? যদিও নামমাত্র কিছু কাজ দেখালেও বাকিটুকু আর খোজ পাওয়া যায় না।

বাস্তবতা কি ?

আমরা কি ইউপি থেকে সেই কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছি?
আসলে সরকার থেকে ইউনিয়ন পরিষদে কি পরিমাণ বরাদ্দ আসে তার খবর কি আমরা আদোও নিতে পারছি?
আমরা কি আমাদের মনের মতো চেয়ারম্যান / জনসেবক বানাতে আদৌ কি সক্ষম হচ্ছি ? ভেবে দেখুন, যদি সৎ যোগ্য জনবান্ধব চেয়ারম্যান বানাতে পারতাম, তাহলে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ইউনিয়ন আজ মডেল ইউনিয়নে পরিণত হতো।

বিষয়টি গ্রামের সকল সচেতন মানুষকে ভাবতে হবে।
ভোট কাকে দিবেন? চেয়ারম্যান কাকে বানাবেন?
সময় এসেছে ভাবার, দরকার পরিবর্তনের।

তাই পরিবর্তনের অঙ্গিকার নিয়ে, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধরা অব্যাহত রাখতে আগামী ২৮ নভেম্বর আমার প্রতীক “নৌকা” মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন।
আল্লাহ সকলের মঙ্গল করুক, আমিন।

নিবেদক —

জাফর আলম ছিদ্দীকী
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদ, চকরিয়া, কক্সবাজার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category